সদ্যপ্রাপ্ত
রাজশাহী, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫
52 somachar
শুক্রবার ● ৯ মার্চ ২০১৮
প্রথম পাতা » জাতীয় » রুয়েটে ছাত্রলীগ কমিটির সব কাজ স্থগিত
প্রথম পাতা » জাতীয় » রুয়েটে ছাত্রলীগ কমিটির সব কাজ স্থগিত
১০৫ বার পঠিত
শুক্রবার ● ৯ মার্চ ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রুয়েটে ছাত্রলীগ কমিটির সব কাজ স্থগিত

অনলাইন প্রতিবেদক,রাজশাহী : সংঘর্ষের পরে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ছাত্রলীগ কমিটির সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। ছাত্রলীগ শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সমর্থকদের মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সংঘর্ষ হয়।রাতেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অনলাইন পেজে এ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয় বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের রাজশাহী মহানগর শাখার সভাপতি রকি কুমার ঘোষ। এ ছাড়া সভাপতি নাঈম রহমান ও সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাহফুজুর রহমানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দলীয় শৃঙ্খলা ভাঙার দায়ে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানাতে বলা হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাহফুজুর রহমান কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানেন।

রুয়েট সূত্র বলছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রুয়েটের শহীদ আবদুল হামিদ হলে সংঘর্ষ হয়। রাত ১০টার পরে সভাপতির অনুসারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আবদুল হামিদ হলে ঢুকে বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে ভাঙচুর চালান। নেতা-কর্মীদের মারধর করেন। এমনকি তাঁরা কক্ষের দরজা ভেঙে ফেলেন। এ সময় তাঁরা তিনটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটান। দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টার এই সংঘর্ষে আহত আটজনকে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁদের ছয়জনকে নগরের লক্ষ্মীপুরে অবস্থিত বেসরকারি হাসপাতালে সিডিএমে পাঠানো হয়।

আহত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হলেন রুয়েট ছাত্রলীগের সহসভাপতি আবিদ হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাফি, প্রচার সম্পাদক মাহাথির মাহমুদ, ক্রীড়া সম্পাদক রবিন, ছাত্রলীগ কর্মী ইমরান, রাজন, আশিক ও রাহাত। এঁদের মধ্যে রাহাত সভাপতির অনুসারী। আর অন্যরা সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী।

সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি বাইরে ছিলেন। তিনি শুনেছেন ২০-২৫ জন যুবক মুখে কাপড় বেঁধে রাতে শহীদ আবদুল হামিদ হলে এসে ছাত্রলীগের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের ওপরে হামলা চালায়। তিনি বলেন, সত্যিকারের একজন ছাত্রলীগের কর্মী আরেকজন ছাত্রলীগের কর্মীর গায়ে হাত তুলতে পারেন না। তিনি বলেন, যারা হামলা করেছে, তাদের মধ্যে জামায়াত-বিএনপির অনুপ্রবেশকারীরা রয়েছে। ছাত্রলীগকে কলুষিত করার জন্য তারা সব সময় এ ধরনের হামলা চালানোর চেষ্টা করে। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি সংগঠনের সভাপতিকে ফোন করেছিলেন। সভাপতিও সে সময় বাইরে ছিলেন বলে জানান।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য সভাপতির সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি।

রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি রকি কুমার ঘোষ বলেন, ঘটনার সময় তিনি এবং তাঁর সাধারণ সম্পাদক রুয়েটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন। কারা প্রথমে হামলা করেছে, এ বিষয়টি তাঁর কাছে পরিষ্কার নয়। তবে দুই পক্ষের সমর্থকেরাই এই সংঘর্ষে আহত হয়েছেন।

ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানান মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদত হোসেন খান।

গত ২৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শহীদ আবদুল হামিদ হলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১১ জন আহত হন।



আর্কাইভ

PropellerAds

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)