সদ্যপ্রাপ্ত
রাজশাহী, শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮, ৫ কার্তিক ১৪২৫
52 somachar
রবিবার ● ৪ মার্চ ২০১৮
প্রথম পাতা » কুড়িগ্রাম » উত্তরপত্র নিতে এসে শিক্ষা বোর্ডে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন রাজশাহীর শিক্ষকরা
প্রথম পাতা » কুড়িগ্রাম » উত্তরপত্র নিতে এসে শিক্ষা বোর্ডে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন রাজশাহীর শিক্ষকরা
২৫৮ বার পঠিত
রবিবার ● ৪ মার্চ ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

উত্তরপত্র নিতে এসে শিক্ষা বোর্ডে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন রাজশাহীর শিক্ষকরা

অনলাইন প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি’র উত্তরপত্র নিতে এসে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন শিক্ষকরা।
পাশাপাশি গতবারের খাতা মূল্যায়নের সম্মানী এখনো না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।সরোজমিন দেখা যায়, রোববার রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের আওতায় বিভিন্ন জেলা থেকে ১২৭ কোডের বিজ্ঞান বিষয়ের উত্তরপত্র নিতে আসেন শিক্ষকগণ। উত্তরপত্র নেয়া উপলক্ষে সকাল ১০টার দিকে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় দেড় ঘন্টা দেরিতে তা অনুষ্ঠিত হয়। শুধু তাই নয়, যে ব্যানারের নীচে সভাটি হচ্ছিল তা জানুয়ারী মাসে কেন্দ্র সচিবদের মতবিনিময়ের। উপস্থিত অনেক শিক্ষকই বলাবলি করেন শিক্ষাবোর্ডের দৈন্যতার জন্য যদি ব্যানার করা সম্ভব না হয় তবে আগের ব্যানারটি উপস্থাপন না করলেই হতো।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বোর্ডের প্রধান পরীক্ষক প্রফেসর ড. মো. আনোয়ারুল হক প্রামানিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হোসনে আরা আরজু।

বক্তব্য রাখেন প্রধান পরীক্ষক গোলাম মাওলা ও রজুফা খাতুন। গোলাম মাওলা তার বক্তব্যে বলেন, স্কুল, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বোর্ড সংশ্লিষ্ট কোন কাজে আসলে আগেই ব্যাংক ড্রাফ্টসহ বিভিন্ন মাশুল দিতে হয়। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার আগেই নির্ধারিত ফি দিয়ে ফরমপূরণ করে থাকে। উত্তরপত্রের মূল্যায়নের টাকাও শিক্ষার্থীরা দিয়ে থাকে। কিন্তু এক সালের উত্তরপত্র মূল্যায়নের সম্মানী পেতে আগামী সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তিনি সঠিক সময়ে শিক্ষকদের সম্মানী দেয়ার আবেদন করেন।

এদিকে বেলা আড়াইটা থেকে শুরু হয় খাতা দেয়ার পালা। যা ১২টা থেকে করলে শিক্ষকগণ তিন ঘন্টা আগে অর্থাৎ দিনের বেলাতেই নিজ নিজ বাড়িতে পৌছাতে পারতেন। তবে দুরের জেলাগুলোতে উত্তরপত্র আগে দেয়া হয়েছে। এরপরেও কোন শিক্ষকই দিনের আলোতে থাকতে বাড়িতে যেতে পারবেন না বলে জানা গেছে (রাজশাহী জেলা বাদে)। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বগুড়া জেলার এক শিক্ষক বলেন, কোনভাবেই দিনের আলোতে বাড়ি পৌছানো সম্ভব নয়।

অপরদিকে গোডাউন থেকে উত্তরপত্র বের করেই বহনকারিরা শিক্ষকদের নির্ধারিত টাকার চাপ দেয় এবং খারাপ ব্যবহার করে। বগুড়া থেকে আসা শিক্ষক শাহজামানের সাথে লেগে যায় কথা কাটাকাটি এক কুলির সাথে। ওই শিক্ষক বলছে তার কাছে বিশ টাকা খুচরা আছে। কিন্তু কুলির (শ্রমিক) আবদার ত্রিশ টাকা। শিক্ষক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কথা বলতেই কুলি তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে। শিক্ষককে উত্তরপত্র না দেয়ারও হুমকি দেয় কুলি। শেষে শিক্ষক ত্রিশ টাকা দিয়েই রক্ষা পান।

এসব বিষয়ে শিক্ষা বোর্ড সচিব তরুণ কুমারের ০১৭৪৭৪৭৩৪০৪ মোবাইল নম্বরে কল করলে তিনি রিসিভ করেননি। (সূত্র: পদ্মাটাইমস)



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)