সদ্যপ্রাপ্ত
রাজশাহী, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮, ৭ কার্তিক ১৪২৫
52 somachar
সোমবার ● ৮ অক্টোবর ২০১৮
প্রথম পাতা » অপরাধ » দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন মায়া
প্রথম পাতা » অপরাধ » দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন মায়া
১৮ বার পঠিত
সোমবার ● ৮ অক্টোবর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন মায়া

অনলাইন প্রতিবেদক, ৫২সমাচার ডেস্কঃ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ১৩ বছরের সাজার রায় থেকে খালাস পেয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।সোমবার হাইকোর্টে আপিলের ওপর পুনঃশুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।

আদালতে মায়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার ও আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিনউদ্দীন মানিক।

এর আগে ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর মায়াকে দুর্নীতির এ মামলা থেকে খালাস দিয়েছিলেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা লিভ টু আপিলের শুনানি নিয়ে ২০১৫ সালের ১৪ জুন তা বাতিল করেন আপিল বিভাগ। পাশাপাশি সাজার বিরুদ্ধে মায়ার করা আপিলটিও ফের শুনানি করে নিষ্পত্তির (পুনর্বিচার) জন্য হাইকোর্ট বিভাগে পাঠানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ আগস্ট আপিলের পুনঃশুনানি নিয়ে রায়ের দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের ১৩ জুন জরুরি অবস্থার সময় মায়ার বিরুদ্ধে রাজধানীর সুত্রাপুর থানায় দুর্নীতির মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক নুরুল আলম। মামলায় তার বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে ২৯ লাখ টাকার সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

ওই মামলায় ২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার একটি বিশেষ জজ আদালত দুটি ধারায় মায়াকে মোট ১৩ বছরের কারাদণ্ডসহ পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা করেন। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ মায়াকে ওই মামলা থেকে খালাস দেন।

পরে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে দুদক লিভ টু আপিল আবেদন দায়ের করে। এরপর ২০১৫ সালের ১৪ জুন হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বাতিল করে পুনঃশুনানির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)