সদ্যপ্রাপ্ত
রাজশাহী, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮, ৭ কার্তিক ১৪২৫
52 somachar
বুধবার ● ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮
প্রথম পাতা » এক্সক্লুসিভ » হাঁচি চাপার চেষ্টা করায় ছিঁড়ে গেল গলার পেশী – বিস্তারিত পড়ুন এবং সাবধান হন
প্রথম পাতা » এক্সক্লুসিভ » হাঁচি চাপার চেষ্টা করায় ছিঁড়ে গেল গলার পেশী – বিস্তারিত পড়ুন এবং সাবধান হন
৫২ বার পঠিত
বুধবার ● ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

হাঁচি চাপার চেষ্টা করায় ছিঁড়ে গেল গলার পেশী – বিস্তারিত পড়ুন এবং সাবধান হন

আয়শা আক্তার লিজা, ৫২সমাচার ডেস্কঃ হাঁচি চাপার চেষ্টা – হাঁচি আসছে আর সেটা আমরা অনেকই চেপে রাখার চেষ্টা করি।

---

আমরা কি জানি এই হাঁচি চেপে রাখতে গিয়ে আমরা পড়তে পারি মারাত্বক বিপদের সম্মুখিন। এমনই এক ঘটনা ঘটে গেলো ইংল্যান্ডের লেস্টারে। চিকিৎসকরা বলছেন, এমন ঘটনা খুবই বিরল এবং অস্বাভাবিক, তবে এটা ঠিক যে হাঁচি চাপার চেষ্টার সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত। এক ব্যক্তি হাঁচি চাপতে গিয়ে তার গলার পেশী ছিঁড়ে গেছে। চিকিৎসকার সতর্ক করে বলেছেন, এমন চেষ্টা করা উচিক নয়। হাঁচি চেপে রাখলে এতে গলা, কান এমনকি মস্তিষ্কেরও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, এর ফলে কানের ক্ষতিও হতে পারে। এমনকি মস্তিষ্কের রক্ত সংবহনকারী কোন শিরা আগে থেকেই দুর্বল হয়ে গিয়ে থাকলে তা ফেটে যেতে পারে। চৌত্রিশ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে তার এত জোরে হাঁচি এসেছিল এবং তিনি নাক-মুখ বন্ধ করে এমনভাবে তা চেপে রাখতে চেয়েছিলেন যার ফলে তার গলার ভেতরের নরম টিস্যু ছিঁড়ে যায়।

আক্রান্ত লোকটি চিকিৎকদের জানিয়েছেন, হাঁচি চাপার পরই তার ঘাড়ে শব্দ হয়। সাথে সাথেই তিনি বুঝতে পারেন তার গলায় ব্যথা হচ্ছে এবং কোন কিছু গিলতে বা কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। লেস্টার রয়াল ইনফার্মারির নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, নাক-মুখ বন্ধ করে হাঁচি ঠেকানোর চেষ্টা বিপজ্জনক এবং এতে নানা বিপদ হতে পারে। তাই তা না করে বরং উচিত কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে হাঁচি দেয়া।

চিকিৎসকের কাছে গেলে পরীক্ষা করে দেখা যায় যে, তার গলা এবং ঘাড় ফুলে গেছে এবং টিস্যুগুলো স্পর্শকাতর হয়ে গেছে। এক্সরে ছবিতে দেখা যায়, তার শ্বাসনালী ফেটে গেছে এবং শ্বাস নেবার সময় তা দিয়ে বাতাস বেরিয়ে তার গলার নরম পেশীতে এসে লাগছে। এর পর তাকে সাতদিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছে। গলার ভেতর নল ঢুকিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। যতদিন শ্বাসনালীর টিস্যু আপনাআপনি জোড়া না লাগে ততদিন এভাবেই চলতে হবে।