সদ্যপ্রাপ্ত
রাজশাহী, সোমবার, ২৫ জুন ২০১৮, ১০ আষাঢ় ১৪২৫
52 somachar
সোমবার ● ৪ জুন ২০১৮
প্রথম পাতা » লাইফ স্টাইল » চাঁদ রাতের মেহেদী টিপস
প্রথম পাতা » লাইফ স্টাইল » চাঁদ রাতের মেহেদী টিপস
৫২ বার পঠিত
সোমবার ● ৪ জুন ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

চাঁদ রাতের মেহেদী টিপস

অনলাইন প্রতিবেদক : ঈদে কি মেহেদি ছাড়া চলে? আনন্দের পূর্ণতা দেয়। উৎসবকে রঙিন করে তোলে। ঈদের চাঁদ দেখা মাত্রই ছোট-বড় সবাই হাতে হাতে মেহেদি আড্ডা জমায়। এবারের মেহেদির ট্রেন্ড, ডিজাইন, কোন মেহেদি কেমন এসব জানব এক্সপার্টদের কাছ থেকে। তারা কথা বলেছেন মানবকণ্ঠের পাঠকদের জন্য-সুরাইয়া নাজনীন :
আজকাল হাত রাঙাতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মেহেদি পাওয়া যায়। তবে রকমারি মেহেদির ভিড়ে বাটা মেহেদির কদর কমেনি এতটুকুও। মেহেদি বেটে লাগাতে পারেন হাতের তালুতে। তবে বাটা মেহেদি দিতে অনেক সময় লাগে। এতক্ষণ বসে নকশা করার ধৈর্য থাকে না অনেকেরই। এ সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার সুবিধাজনক উপায় হচ্ছে টিউব। বাটা মেহেদির পাতায় একটু পানি, লেবুর রস, পানের খয়ের অথবা চা বা কফির লিকার মিশিয়ে ভালোভাবে বেটে টিউব তৈরি করে নিতে পারেন।
তারপর হাতে মনমতো নকশা করে নিতে পারেন। এছাড়াও বর্তমানে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে কালি মেহেদির।
এ মেহেদির সঙ্গে এখন সবাই কমবেশি পরিচিত। বাটা মেহেদি এবং টিউব মেহেদি বেশি সময় হাতে রাখলে বেশি লাল হয়। কিন্তু কালি মেহেদি বেশিক্ষণ রাখতে হয় না। এ মেহেদি হাতে অনেক দিন থাকে। মেহেদিপ্রিয় মানুষরা কালি মেহেদি বেছে নিতে পারেন।
শিশুরাও তাদের রুচিবোধের পরিচয় দেয় ঈদ এলে।
তাদের ছোট্ট সুন্দর হাতগুলোকে নানা রূপে ফুটিয়ে তোলে সবার কাছে। ঝকমকে আভা যেন তাদের বেশি প্রিয়। তাই ওদের জন্য গ্লিটার বাছাই করা উত্তম। পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে সোনালি, রুপালি আকাশি, লাল ইত্যাদি রঙের গ্লিটারের সাহায্যে নকশা করে ওদের হাত রাঙিয়ে দিতে পারেন এই ঈদে।
তরুণীদের ভাবনার সঙ্গে এক সূত্রে মিলিত হয়েছেন বিউটি এক্সপার্টরাও। মেহেদি নকশাতে কীভাবে নতুনত্ব আনা যায়, এবার ঈদের জন্য স্পেশাল কোন নকশাটা রাখা যায় এসব নিয়ে ভাবনার যেন কমতি নেই তাদেরও। তবে নিজে পরতে পারলেও সুদক্ষ কারো সাহায্য নেয়া ভালো। কেননা তুচ্ছ কোনো অবহেলার কারণে বিশেষ দিনটির মাধুর্য যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়, এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে আগে থেকে।

মেহেদি নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বিউটি এক্সপার্ট কানিজ আলমাস খান
মেহেদি শুকিয়ে গেলে ঘষে শুকনো মেহেদি তুলে ফেলুন। অন্তত ২৪ ঘণ্টা পানি লাগাবেন না, এতে রংটা সুন্দর করে বসবে।
মেহেদি শুকিয়ে ঝরে যাওয়ার পর ভিক্স ভ্যাপো-রাব দিয়ে ম্যাসাজ করে নিলে রংটা গাঢ় হয়ে বসবে।
যে যে অংশে মেহেদি শুকিয়ে যাচ্ছে সেসব জায়গায় এক চামচ লেবুর রস ও আধা চামচ চিনি মিলিয়ে লাগান। মেহেদির রং অনেক গাঢ় হবে।
মেহেদি দেয়ার আগে ময়েশ্চারাইজার বা তৈলাক্ত সাবান ব্যবহার করবেন না।
চুলে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা মেহেদি হাতে না লাগানোই ভালো।
শুরুতেই মেহেদির সঙ্গে লেবুর রস মিলিয়ে নিলে রংটা অনেক সুন্দর হয়।
কালো মেহেদি ব্যবহার না করাই ভালো; কেননা এতে ক্ষতিকারক কেমিক্যালস মেশানো থাকে।
আপনার শরীরের তাপ, ত্বকের ও জীবনযাপনের ধরন এবং আবহাওয়ার তারতম্যের ভিত্তিতে মেহেদির রং এক থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।
রং সুন্দরভাবে বসার জন্য ৫-৭ ঘণ্টা মেহেদি রেখে দেয়া ভালো এবং এ সময়ের মধ্যে এমন কোনো কাজ করা যাবে না যা আপনার মেহেদির ডিজাইনকে নষ্ট করে দিতে পারে।
ডিজাইন আপনি নিজে নিজে তৈরি করে নিতে পারেন অথবা কোনো ডিজাইনের বই কিনে নিতে পারেন অথবা মাটির বা সিরামিকের পাত্র বা কাপড়ের ডিজাইন বা নকশা থেকেও ডিজাইন বেছে নেয়া যায়।

যাদের অ্যালার্জি কিংবা স্কিনের সমস্যা আছে, তাদের মেহেদি ব্যবহারে সচেতন থাকতে হবে। আগে হাতে অল্প করে লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিতে পারেন। যদি সমস্যা হয় তাদের জন্য গাছের মেহেদি ভালো হবে। কেমিক্যালযুক্ত মেহেদির সচেতনতার ব্যাপারে হারমনি স্পা ও ক্লিওপেট্রার রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা রীতা বলেন, যে মেহেদি অল্প সময়ে রং হয় এতে অনেক বেশি কেমিক্যাল দেয়া থাকে। এটা যদি খাবারের সঙ্গে পেটে চলে যায় তাহলে সরাসরি কিডনিতে খারাপ প্রভাব পড়বে। তাই আমি মনে করি একটু সময় বের করে গাছের সতেজ মেহেদি লাগানোই ভালো হবে। সহজ উপায়ে ঘরে বসেই এই মেহেদির কোণ তৈরি করা যায়। প্রথমে মহেদি পাতা বাটতে হবে। তবে মিহি হওয়া চাই। বাটা মেহেদি চায়ের ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। ছেঁকে নিয়ে মেহেদির রং গাঢ় করার জন্য খয়ের মেশাতে পারেন। এবার বাটার পেপারকে সুন্দর করে কোণ বানিয়ে নিতে হবে। আর সামনে একটি ছোট্ট ছিদ্র করতে হবে। কোণটি টেপ দিয়ে ভালোমতো চারপাশ আটকে ফেলুন। পেছনের দিকটা খোলা রাখতে হবে। মেহেদি ঢালতে হবে কোণটিতে। পেছনের অংশটুকু এবার ভালোমতো আটকে ফেলুন। এভাবে কোণ বানিয়ে রাসায়নিকমুক্ত মেহেদি লাগাতে পারেন আপনিও এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমে যাবে। মেহেদি শুকিয়ে গেলে রং গাঢ় করার জন্য সরিষার তেল দেয়া যেতে পারে।

বিউটি স্যালন রেডের রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন বলেন, ঈদের আনন্দ যত দিন থাকে মেহেদিও ততদিন তার সঙ্গে সঙ্গ দেয়। মেহেদির প্রচলন অনেক আগের কিন্তু এখন এর ধারার কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। মডার্ন ফরমেটটাকেই প্রাধান্য দিচ্ছে সবাই। এবার যেহেতু ঈদুল-ফিতর তাই বাড়িতে টুকটাক সবারই কিছু কাজ থাকে তাই এবার মেহেদির জড়োয়া কাজ প্রাধান্য পাবে হাতের ওপরে। দেয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে প্রত্যেকটা নকশার মাঝে গ্যাপ থাকবে একই রকম। এখন অনেকে ট্যাটু নকশাও পছন্দ করছেন। তবে ট্রাডিশনাল নকশা কিংবা জ্যামিতিক নকশা যেটাই হোক না কেন সেটা হতে হবে আর্টিস্টিক।

বাজারে অনেক ধরনের
আকার ও দামের মেহেদি পাওয়া যায়। ৩০ থেকে শুরু করে ২৫০ টাকার মধ্যে পছন্দমতো রঙের মেহেদি পাবেন। আর বিভিন্ন বিউটি স্যালনগুলোতে মেহেদি পরানোর দামের ভিন্নতা রয়েছে। এটা নির্ভর করবে নকশার ওপর।

৫২সমাচার/এলটি



আরো পড়ুন...

চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
উদ্বোধনী ম্যাচে বদলি খেলোয়াড়ের গোলের রেকর্ড উদ্বোধনী ম্যাচে বদলি খেলোয়াড়ের গোলের রেকর্ড
“রাউজান স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন”এর উদ্যোগে বয়স্ক পূর্ণবাসন কেন্দ্রে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত “রাউজান স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন”এর উদ্যোগে বয়স্ক পূর্ণবাসন কেন্দ্রে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
বৃহত্তর হেতিমগঞ্জের সড়কপথে জনতার দাবি গোলাপগঞ্জের মানববন্ধন বৃহত্তর হেতিমগঞ্জের সড়কপথে জনতার দাবি গোলাপগঞ্জের মানববন্ধন
ফ্রেন্ডস পাওয়ার স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে অবহেলিত মানুষদের মধ্যে ইফতার বিতরণ করা হয় ফ্রেন্ডস পাওয়ার স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে অবহেলিত মানুষদের মধ্যে ইফতার বিতরণ করা হয়
বোয়ালখালীর কল্যাণে আমরা’র এতিম ও অসহায় শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ বোয়ালখালীর কল্যাণে আমরা’র এতিম ও অসহায় শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ
ঈদে যাত্রা পথে অসুস্থ হলে করণীয় ঈদে যাত্রা পথে অসুস্থ হলে করণীয়
গুয়েতেমালায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে নিহত ৭৫ গুয়েতেমালায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে নিহত ৭৫
ইমরান এইচ সরকারকে আটক করেছে র‌্যাব ইমরান এইচ সরকারকে আটক করেছে র‌্যাব
স্বেচ্চাসেবী সংগঠন সময় কর্তৃক ইফতার আয়োজন ও কৃতি হাফেজ সংবর্ধনা সম্পন্ন। স্বেচ্চাসেবী সংগঠন সময় কর্তৃক ইফতার আয়োজন ও কৃতি হাফেজ সংবর্ধনা সম্পন্ন।

আর্কাইভ

PropellerAds

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)