সদ্যপ্রাপ্ত
রাজশাহী, রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮, ৪ ভাদ্র ১৪২৫
52 somachar
শনিবার ● ২ জুন ২০১৮
প্রথম পাতা » আন্তর্জাতিক » পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি নিয়ে সংশয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট
প্রথম পাতা » আন্তর্জাতিক » পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি নিয়ে সংশয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট
৭৪ বার পঠিত
শনিবার ● ২ জুন ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি নিয়ে সংশয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট

অনলাইন প্রতিবেদক :পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রশ্নে উত্তর কোরিয়াকে সহসা চুক্তিতে রাজি করানোর প্রশ্নে সংশয় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘রয়টার্স’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নজিরবিহীন বৈঠকের আশা পোষণ করলেও প্রত্যাশিত লক্ষ্যে পৌঁছতে আরও সময় লাগতে পারে বলে মন্ত্মব্য করেছেন। ১২ জুন সিঙ্গাপুরে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ট্রাম্পের ধারণা, বৈঠকে সাফল্য এলেও নিরস্ত্রীকরণ প্রশ্নে সম্মত হতে একাধিক বৈঠকের প্রয়োজন হবে। শুক্রবার উত্তর কোরীয় নেতার শীর্ষ সহযোগী কিম ইয়ং-চোলের হোয়াইট হাউস সফরকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
কিম ইয়ং-চোলের হোয়াইট হাউস সফরের আগে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বিমানে বসেই রয়টার্সকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ট্রাম্প। সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রশ্নে সহসা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে না বলে উলেস্নখ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি চাই এক বৈঠকেই এ কাজটি হয়ে যাক। কিন্তু অনেক সময়ই এভাবে চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। একটি বৈঠক অথবা দুটি বৈঠক কিংবা তিনটি বৈঠকেও প্রত্যাশিত লক্ষ্যে পৌঁছানো নাও যেতে পারে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর অগ্রগতি হবে।’
অতীতে একতরফা পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করতে দেখা গেছে উত্তর কোরিয়াকে। দেশটি যুক্তি দেখিয়ে বলেছিল, গোটা কোরীয় উপদ্বীপের নিরস্ত্রীকরণ চাইলে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক ছায়া সরিয়ে নিতে হবে। কিম বলেন, তার দেশ চায় কোরীয় উপদ্বীপের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি ‘অপরিবর্তিত, অবিচল এবং স্থির’ থাকুক। কিন্তু তিনি আশা প্রকাশ করেন, উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কোন্নয়নের মধ্য দিয়ে ‘ধাপে ধাপে’ এর সমাধান করা যাবে।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি’র (কেসিএনএ) খবরে কিমকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, উত্তরের নেতা বলেছেন, ‘নতুন যুগে এবং নতুন পরিস্থিতির আওতায় এবং ইসু্যগুলো সমাধান করার মধ্য দিয়ে একে অপরের স্বার্থ মেটাতে গেলে কার্যকর এবং গঠনমূলক সংলাপ ও আলোচনার প্রয়োজন হবে।’ তিনি আশা করেন এর মধ্য দিয়ে সমাধানের পথ পাওয়া যাবে।ট্রাম্পকে চিঠি পাঠিয়েছেন কিম
এদিকে, উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধিদল তাদের নেতা কিম জং-উনের লেখা একটি চিঠি হস্ত্মান্ত্মর করবেন বলে জানা গেছে। কিমের ‘ডান হাত’ হিসেবে পরিচিত জেনারেল কিম ইয়ং-চোল নেতৃত্বাধীন উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধিদলটি বুধবার চীন থেকে ওয়াশিংটন পৌঁছায়। সেখানে তারা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শুক্রবার চোল নেতৃত্বাধীন দলটির হোয়াইট হাউসে যাওয়ার কথা রয়েছে।
তবে ট্রাম্প ঠিক কখন তাদের ওভাল অফিসে আমন্ত্রণ জানাবেন, তা এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত্ম জানা যায়নি। তাই ট্রাম্পের কাছে পাঠানো কিমের ওই চিঠিতে কী বার্তা দেয়া আছে, তা জানা যায়নি। ২০০০ সালের পর চোলই উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের কোনো নেতা, যিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন। তথ্যসূত্র : রয়টার্স, ট্রিবিউন
৫২সমাচার/এলটি



আর্কাইভ

PropellerAds

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)