সদ্যপ্রাপ্ত
রাজশাহী, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮, ৩১ আশ্বিন ১৪২৫
52 somachar
শনিবার ● ৫ মে ২০১৮
প্রথম পাতা » এক্সক্লুসিভ » বাংলাদেশে হেপাটাইটিস বি এবং সি ভাইরাস; রোগের ব্যাপ্তি ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা
প্রথম পাতা » এক্সক্লুসিভ » বাংলাদেশে হেপাটাইটিস বি এবং সি ভাইরাস; রোগের ব্যাপ্তি ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা
১৬৪ বার পঠিত
শনিবার ● ৫ মে ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বাংলাদেশে হেপাটাইটিস বি এবং সি ভাইরাস; রোগের ব্যাপ্তি ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা

তন্ময় আহমেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক: সারা বিশ্বে প্রতি ১২ জনে ১ জন লোক হেপাটাইটিস বি অথবা সি ভাইরাসে আক্রান্ত। হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩৫ কোটি এবং হেপাটাইটিস সি আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৭ কোটি। সে হিসাবে এটা অনুমিত যে, বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫২ কোটি লোক এই ভাইরাস দু’টি শরীরে নিয়ে বসবাস করছে। প্রতি বছর প্রায় ১৫ লাখ লোক এই ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট লিভার রোগের জটিলতা যেমনঃ লিভার সিরোসিস, লিভার ফেইলিউর, অথবা লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।এই ভয়াবহতাকে গুরুত্ব দিয়ে “বিশ্ব হেপাটাইটিস জোট” গনসচেতণতা তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এইচআইভি-এইডস, যক্ষ্মা এবং ম্যালেরিয়ার মত হেপাটাইটিস বি ও সি-কে এষড়নধষ যবধষঃযপধৎব ধমবহফধ-তে অন্তর্ভূক্ত করার প্রয়াসে এই জোট সারা বিশ্বে “আমি কি নম্বর ১২” নামে ইন্টারনেটে একটি ওয়েব সাইট খুলেছে। যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নাম অন্তর্ভূক্ত করে এই কার্যক্রমকে সমর্থন জানাচ্ছে। সারা বিশ্বে ৬৪ টি দেশে ৪০ ভাষাভাষির মানুষ ২০০টি রোগী গ্র”পের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারাভিযান চালাচ্ছে। তাই ১৯ শে মে ২০০৮ইং তারিখ-কে বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস হিসেবে পালন করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাস:

বিশ্বব্যাপী হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাস একটি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর আচার-আচরণ, অভ্যাস, সামাজিক প্রথা, পরিবেশ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ইত্যাদির উপরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি ভিন্ন রকম। এইসব বিষয়ের উপর ভিত্তি করে সারা বিশ্বকে মোট তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে যেমন উচ্চ, মধ্যম ও নিম্ন আক্রান্ত এলাকা। বাংলাদেশ মধ্যম আক্রান্ত এলাকা হিসেবে পরিগণিত হয়। হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাস সাধারণ জন্ডিস থেকে লিভার সিরোসিস এমনকি লিভার ক্যান্সারও হতে পারে।

রক্ত এবং রক্তজাত পদার্থ মূলত এই ভাইরাসের বাহক। প্রাথমিক পর্যায়ে এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সাধারণত: কোন লক্ষণ বহন করে না, অথচ এদের মাধ্যমে অন্যরা সংক্রমিত হতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে রক্তরস, লালা, বীর্য্য এবং বুকের দুধ (এই সমস্ত দেহ নি:সৃত রস) এক দেহ থেকে অন্য দেহে ভাইরাস বিস্তারে সহায়তা করে। আক্রান্ত মায়ের শিশু সন্তান, আক্রান্ত পরিবারের অন্যান্য সদস্য, বহুবার রক্তগ্রহণকারী রোগী, মাদকাসক্ত ব্যক্তি, মানসিক অবসাদগ্রস্থ ব্যক্তি, স্বাস্থ্য-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তথা হাসপাতালে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ যেমন ডাক্তার, নার্স, ল্যাবরেটরীতে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ, দন্তরোগের চিকিৎসকগণ এই ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার জন্য অত্যধিক ঝুকিপূর্ণ।

আকুপাংচার, মুসলমানী, নাক, কান ফুড়ানো, সিরিঞ্জ, সূঁচ, হাসপাতালের যন্ত্রপাতি, দন্ত চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহার্য যন্ত্রপাতি, নাপিতের ক্ষুর ইত্যাদি ভাগাভাগি করে ব্যবহার করার মাধ্যমে হেপাটাইটিস ‘বি’ ছড়ায়। হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাস, এইডস এর ভাইরাস (এইচআইভি) এবং হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাসের মতই যৌন মিলনের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে। পুরুষ সমকামী এবং পতিতাদের মাধ্যমে সমাজে দ্রুত এই ভাইরাস বিস্তার লাভ করে।

কোন বয়সে একজন ব্যক্তি হেপাটাইিটিস ‘বি’ ভাইরাসে আক্রান্ত হলো তার উপর এই রোগের প্রকৃতি নির্ভর করে। গর্ভাবস্থা বিশেষত: গর্ভাবস্থার তৃতীয়স্তর (থার্ড টাইমেষ্টার)-এ মা ভাইরাস বহকারী হলে পরবর্তীতে জন্মগ্রহণকারী শিশুর মধ্যে শতকরা ৯০ভাগ ক্ষেত্রে হেপাটাপইটিস ‘বি’ ভাইরাস বিস্তার লাভ করে। প্রসবকালীন সময় এবং স্তন্যদানকালীন সময়েও এই ভাইরাসের বিস্তার লাভ করার সমূহ সম্ভাবনা থেকে যায়। যদি খুব শিশু বয়সে কেউ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয় তার ক্ষেত্রে দীর্ঘ মেয়াদী লিভার রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, যার চুড়ান্ত পরিণতি অকাল মৃত্যু। অন্যদিকে বয়স্ক লোকের বেলায় এই হার মাত্র শতকরা ৫-১০ ভাগ।

বাংলাদেশে আপাত দৃষ্টিতে সুস্থ মানুষের মধ্যে গড়ে শতকরা ৪.৪ ভাগ মানুষ এই ভাইরাস বহন করে। সুতরাং এটা অনুমিত যে, বাংলাদেশে বর্তমানে ৬৬ লাখ লোক দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসে আক্রান্ত।

আমাদের দেশে বিভিন্ন সাধারণ জনগোষ্ঠী যাদের কোন রোগের লক্ষণ নেই শুধুমাত্র রুটিন স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা টিকা নেয়ার জন্য স্ক্রীনিং পরীক্ষা করাতে গিয়ে ‘এইচবিএসএজি’ ধরা পড়ে এমন লোকের ক্ষেত্রে দেখা যায় : বিদেশগামী দক্ষ/অদক্ষ শ্রমিকদের মধ্যে শতকরা ৪.৪ থেকে ৭.৫ ভাগ, গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে ৩.৫ ভাগ, বস্তিবাসী লোকদের মধ্যে ৩.৮ ভাগ, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৬.৪ ভাগ, স্কুলগামী শিশুদের মধ্যে ২.৩ ভাগ, স্বেচ্ছা রক্তদানকারীদের মধ্যে ২.৪ ভাগ লোক ‘এইচবিএসএজি’ পজিটিভ।

একিউট ভাইরাল হেপাটাইটিস রোগীদের শতকরা ১৯.০-৩৫.০ ভাগ, দীর্ঘ মেয়াদী লিভার রোগীদের শতকরা ৩৩.৩-৪০.৫ ভাগ এবং লিভার ক্যান্সার রোগীদের ক্ষেত্রে গড়ে ৪৫.৮ ভাগ লোক ‘এইচবিএসএজি’ পজিটিভ।

ঝুঁকিপূর্ণ কাজ, পেশা এবং বদঅভ্যাস জনিত কারণে হেপাটাইটিস ‘বি’ মারাত্মকভাবে বিস্তার লাভ করে। বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে দেখা যায় আমাদের দেশে হেপাটাইটিস ‘বি’ আক্রান্ত পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে শতকরা ২০.৬ ভাগ, পেশাদার রক্তদাতাদের মধ্যে শতকরা ১৮.২-২৯.০ভাগ, শিরাপথে ড্রাগাসক্তদের মধ্যে ৬.২-১২.০ ভাগ, অন্যান্য ড্রাগাসক্তদের মধ্যে শতকরা ৪.৪ ভাগ, ট্রাক ড্রাইভারদের মধ্যে ৫.৯ ভাগ, পতিতাদের মধ্যে ৯.৭ ভাগ হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসে আক্রান্ত।

হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাস:

হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের মত হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাসও একটি মারাত্মক জনস্বাস্থ্য সমস্যা। সাধারণ জন্ডিস থেকে শুরু করে লিভার সিরোসিস এমনকি লিভার ক্যান্সারও করতে পারে। সারা বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর শতকরা তিন ভাগ লোক ‘সি’ ভাইরাসে আক্রান্ত যার পরিমাণ প্রায় ১৭০ মিলিয়ন। এশিয়া মহাদেশে এলাকা ভেদে এই ভাইরাস সংক্রমণের হার শতকরা ০.৩ ভাগ থেকে ৪.০ ভাগ পর্যন্ত তারতম্য হয়। মিশরে বিশ্বের সবচেয়ে বেশী হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাস আক্রান্ত লোকের বাস। ঐ দেশে শতকরা ১৭.০-২৬.০ ভাগ লোক ‘এইচসিভি’ টেস্ট পজিটিভ। আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে টীকা/ইনজেকশন-এর সুচ ভাগাভাগি করাই এর মূল কারণ।

সংক্রমনের হারের এই তারতম্য বিভিন্ন দেশের সামাজিক, পরিবারিক, ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ অভ্যাস বা কার্যকলাপ যেমন শিরা পথে রক্ত গ্রহনকারীদের মাধ্যে ৬০-৭০ ভাগ, রক্ত পরিসঞ্চালন ও অঙ্গপ্রতিস্থাপনকারীদের মধ্যে ৫-১৩ ভাগ, ইঞ্জেকশন এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ২-১৮ ভাগ, পেশাগত ঝুকিতে ০-৭ভাগ, আক্রান্ত মা থেকে শিশু ০-৪ ভাগ, যৌন মিলনের মাধ্যমে ১১-২৭ ভাগ হেপাটাইটিস সি ভাইরাস বিস্তার লাভ করে।

আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে স্বেচ্ছা রক্তদানকারীদের মধ্যে শতকরা ১.৫-১.৭ ভাগ, জন্ডিস রোগীদের মধ্যে ৪.৮-১২.৫ ভাগ, লিভার ফেইলিউর রোগীদের মধ্যে ১০.০-৪৩.০ ভাগ, ক্রনিক লিভার ডিজিস রোগীর ক্ষেত্রে ৮.৮-৪৮.৫ ভাগ, ক্রনিক কিডনী ডিজিজ এবং থ্যালাসেমিয়া রোগী যারা বার বার শরীরে রক্ত গ্রহন করে তাদের মধ্যে যথাক্রমে ৪১.৯ ভাগ এবং ২৫.৪ ভাগ ব্যক্তি হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্ত।

এবার আমাদের বাংলাদেশের চিত্র কেমন দেখা যাক। যেখানে স্বেচ্ছা রক্তদানকারীদের মধ্যে সংক্রমনের হার শুণ্য সেখানে পেশাদার রক্তদাতাদের মধ্যে শতকরা ১.২ ভাগ লোক এই ভাইরাস বহন করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ মেয়াদী লিভার রোগীদের মধ্যে শতকরা ২৪.১ ভাগ, লিভার ক্যান্সার রোগীদের মধ্যে শতকরা ৯.৬ভাগ, রক্ত গ্রহনের পর জন্ডিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬.৮ভাগ, স্বল্প স্থায়ী জন্ডিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১.৭ ভাগ রোগী হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্ত।

ডেঙ্গু ভাইরাস ইদানীংকালে বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে বিস্তারলাভ করেছে। ডেঙ্গু হেমোরেজিক রোগীদের রক্ত এবং রক্ত উপাদান (প্ল্যাটিলেট) পরিসঞ্চালনের মাধ্যমে হেপাটাইটিস ‘সি’ ছাড়াতে পারে। যেহেতু আমাদের অধিকাংশ রক্তদান কেন্দ্রে রক্ত পরিসঞ্চালনের আগে ভাইরাসের পরীক্ষা করা হয় না, সেহেতু এটা আশংকা করা অমূলক নয় যে, অদূর ভবিষ্যতে আমাদের দেশে হেপাটাইটস ‘সি’ ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করতে পারে।

হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোন টীকা বা প্রতিষেধক এখনও আবিস্কার হয় নাই। সুতরাং, প্রতিরোধকেই একমাত্র গুরুত্ব দিতে হবে।

হেপাটাইটিস ‘বি’ ও ‘সি’ ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে যে সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে:

হেপাটাইটিস ‘বি’ ও ‘সি’ ভাইরাস উভয়েই ধীরে ধীরে লিভারকে ধ্বংস করে। এজন্য রোগী বুঝতে পারে না যে এটা একটা নীরব ঘাতক। এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জাপান, তাইওয়ান, হংকং, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ইতমিধ্যেই বিশুদ্ধ রক্ত পরিসঞ্চালনসহ সার্বজনীন হেপাটাইটিস বি টীকা প্রচলন করেছে। যার মাধ্যমে ঐসব দেশে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস বহুলাংশে কমে এসেছে।

হেপাটাইটিস বি এবং সি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশে অনেক সমস্যা বিদ্যমান যাহা নিম্নরূপ-
১) এই রোগ সমূহের বিস্তার ও চূড়ান্ত পরিনতি সম্পর্কে ব্যাপক জন সচেতনতার অভাব।
২) স্বাস্থ্য কেন্দ্র সমূহে সার্বজনীন প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার অভাব।
৩) হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের টীকার উচ্চমূল্য।
৪) প্রয়োজনীয় ফান্ডের অপ্রতুলতা।

এইসব রোগের চিকিৎসার ঔষধ আমাদের দেশে সবসময়ই পাওয়া যায়। তবে এগুলোর উচ্চ মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার নাগালের বাইরে। সুতরাং, প্রতিরোধই সর্বোত্তম উপায়। প্রতিরোধ শুরু হয় সচেতনা থেকে।

রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্র এবং অন্যান্য গণমাধ্যম এর মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানো যেতে পারে। জাতীয় এবং আন্তজার্তিক সম্মেলনের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত আলোচনা জরুরী।

বাংলাদেশে জাতীয় টীকাদান কর্মসূচী একটি বিরাট সফলতা। পোলিও রোগ মোটামুটি নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। এটা খুব খুশীর খবর যে, বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যেই হেপাটাইটিস ‘বি’ প্রতিরোধের জন্য এর টীকাকে ইপিআই কার্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত করেছে। রক্ত পরিসঞ্চালনের আগে হেপাটাইটিস ‘সি’ এর উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য সরকারী বেসরকারী পর্যায়ে ব্লাড ব্যাংকগুলোতে নির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

অতএব, অদূর ভবিষ্যতে আমরা এই মহামারী থেকে রক্ষা পাব বলে আশা করি।



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)